ছায়ার আড়ালে আগুন -Crime Thriller [Part-3: অন্ধকারের অধিশ্বর] - অধ্যায় ৫

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-71326-post-6115463.html#pid6115463

🕰️ Posted on Tue Jan 6 2026 by ✍️ indonetguru (Profile)

🏷️ Tags:
📖 439 words / 1 min read

গল্প: "ছায়ার আড়ালে আগুন" (পার্ট-৩: অন্ধকারের অধীশ্বর)  পঞ্চম পরিচ্ছেদ: ভোটের জন্য ৫০০০ শাড়ি বিতরণ রাত ২:১৭ লাল ঘরের পরের দিন। অংশুমান এখনো রানির গন্ধ নিয়ে ঘুমিয়ে আছে। ফোন বাজল। বিন্দুমাসি: “কাল সকাল ৮টা। বেহালা উড়ালপুলের নিচে। পাঁচ হাজার শাড়ি বিলি হবে। তুই ইউনিফর্ম পরে থাকবি। আমার পাশে দাঁড়াবি। লোকে দেখবে – থানার ওসি আমার ছেলে। বুঝলি?” অংশুমান চুপ। “আর শোন… কাল কালো-সোনালি বেনারসি পরব। তুই আমার আঁচল ধরে ছবি তুলবি।” পরের দিন – বেহালা উড়ালপুলের নিচে – সকাল ৭:৫৫ মাঠ জুড়ে লাল-সবুজ শামিয়ানা। মঞ্চে বিশাল কাটআউট: “আপনার মা বিন্দুবালা দেবী – টালিগঞ্জ-বেহালা থেকে আপনার বিধায়ক” নিচে ছোট করে লেখা: “প্রচারে সহযোগিতা – ইন্সপেক্টর অংশুমান সেন”, অংশুমান ইউনিফর্ম পরে দাঁড়িয়ে। তার চোখে কালো চশমা। পিছনে দুটো পুলিশের জিপ। লোকে ফিসফিস করছে: “ওসি সাহেব নিজে এসেছে… বিন্দুমাসির জন্য?” ৮:৩০: বিন্দুমাসি এল। আজ সে পরেছে গাঢ় কালো-সোনালি ভারী বেনারসি। শাড়িটা তার কালো চকচকে শরীরে এমনভাবে জড়ানো যে প্রতিটি মাংসের ভাঁজ, গভীর নাভি, বিশাল স্তনের উঁচু গোলাকার, আর স্থূল পাছার দোলা স্পষ্ট। দুই হাতে চারটে করে সোনার বালা ঝমঝম। পায়ে নুপুর ঝুনঝুন। কপালে বড় খয়েরি টিপ। মুখে পান। সে মঞ্চে উঠে অংশুমানের পাশে দাঁড়াল। তার গোবদা হাত অংশুমানের কাঁধে। মাইকে গম্ভীর গলা: “আমার ছেলে… আমাদের থানার ওসি অংশুমান সেন… আজ আমার সঙ্গে এসেছে। কারণ ও জানে – মা যখন বলে, ছেলে মানে!” ভিড় থেকে হাততালি আর “মা জিন্দাবাদ”। পাঁচ হাজার শাড়ি বিতরণ – লাইনে মায়ের দর্শন ১০টা থেকে শুরু। লম্বা লাইন। গরিব মহিলা, বস্তির বউ, কাজের মেয়ে – সবাই। প্রত্যেকের হাতে একটা করে লাল-সবুজ বেনারসি শাড়ি। উপরে প্রিন্ট: “মা বিন্দুবালার আশীর্বাদ”। বিন্দুমাসি বসে। প্রত্যেক মহিলা এসে তার পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করছে। সে হাতে করে শাড়ি দিচ্ছে আর বলছে: “ভোট দিস মা… মনে থাকে যেন।”অংশুমান তার পাশে দাঁড়িয়ে। এক একজন এসে ওসি সাহেবকেও প্রণাম করছে। কেউ কেউ তার পায়ে হাত দিচ্ছে। অংশুমানের মুখ পাথর।  মিডিয়ার সামনে – “মা ও ছেলে” ক্যামেরা এলে বিন্দুমাসি অংশুমানের হাত ধরল। তারপর হঠাৎ তার আঁচল অংশুমানের কাঁধে তুলে দিল। মাইকে বলল: “দেখো… আমার ছেলে আমার আঁচল ধরে আছে। এই হল মা-ছেলের ভালোবাসা।” ক্যামেরায় ফ্ল্যাশ। পরের দিন সব খবরের কাগজে ছবি: “ওসি সাহেবের আশীর্বাদে বিন্দুবালা দেবী – ৫০০০ শাড়ি বিলি” প্রোগ্রাম শেষ। ভিড় কমে গেছে। বিন্দুমাসি অংশুমানকে একটা গাছের নিচে টেনে নিয়ে গেল। তার গোবদা হাত দিয়ে অংশুমানের গালে চাপ দিল। “আজ খুব ভালো কাজ করেছিস। লোকে দেখল – থানার ওসি আমার পায়ের কাছে। এবার আর কেউ আমাকে আটকাতে পারবে না।” তারপর সে অংশুমানকে জড়িয়ে ধরল। তার বিশাল স্তন অংশুমানের বুকে চেপে গেল। ফিসফিস করে বলল: “রাতে লাল ঘরে আসিস। রানি অপেক্ষা করছে। আর আজ আমিও থাকব।" অংশুমান গাড়িতে উঠল। তার ইউনিফর্মের কাঁধে বিন্দুমাসির আঁচলের সোনার জরি লেগে আছে। সে জানে – এই ছবি কাল থেকে শহরের প্রতিটি দেওয়ালে। সে আর পুলিশ নয়। সে এখন বিন্দুমাসির প্রচারের পোস্টার বয়।