নিঃশব্দ আর্তনাদ - অধ্যায় ১১

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-69821-post-6266435.html#pid6266435

🕰️ Posted on Fri Jul 17 2026 by ✍️ Nefertiti (Profile)

🏷️ Tags: None
📖 438 words / 1 min read

**কি একটা সমস্যা বের করবার জন্যে যেন এক দৃষ্টিতে কম্পিউটারের সামনে তাকিয়ে ছিলাম সেদিন। হুশ ফিরলো চোখের সামনে কালো নেলপালিশআবৃত লম্বা নখযুক্ত একটি হাতের চুটকিতে। চমকে উঠে পাশে তাকিয়ে দেখলাম মিস ফারিহা আমড়িন। অন্যন্য দিনের মত আজও টাইট প্যান্ট সাথে ইন করা সাদা শার্ট। শার্টের হাতা ভাজ করা। হাতে রুপালি রং এর ঘড়ি। আপাদমস্তক তাকে দেখবার সাথেই মনে পরে গেল আমার ফারিহারুপী বয়সী স্ত্রীর সাথে সেদিনের অন্তরঙ্গতার কথা। অজান্তেই পুরুষাঙ্গটা হালকা কেপে উঠলো। মিস ফারিহা হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছেন। চোখাচোখি হতেই হেসে বললেন, "প্রস্ততি নিচ্ছেন তো?" আমি অবাক হয়ে বললাম, "কিসের প্রস্ততি?" তিনি আবারো হেসে বললেন, "জানেন না? আমাদের কিপ্টে কতৃপক্ষ অবশেষে ট্র্যাকে ফিরেছে। সেলস লিমিট ক্রস করার জন্যে এবারে বেশ কিছু ইনসেনটিভ পাব আমরা।" "খুবই ভাল কথা তো!" বললাম। "আর সাথে ৪ দিনের ট্রিপ।" ভ্রু নাচিয়ে বললেন তিনি। "কোথায়?"। হেয়ালী করেল জবাব দিলেন যুবতী, "পাহার ও সমুদ্রে!" আমি যেন বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। "তাও পরিবার সহ আমাদের টিমের সবাইকে। সিঙ্গেল গেলে পুরো খরচ অফিস দেবে। আর পরিবার নিয়ে গেলে দেবে এর দেড়গুন। বাকিটা এক্সট্রা যা খরচ হবে পকেট থেকে দিতে হবে অবশ্য"। আমি বললাম, "দারুণ তো! দেড়জনের খরচ উঠলেও তো বহু টাকা বেচে যাচ্ছে!" মিস ফারিহা হেসে বললেন, "ভাইয়া আপনাদের জেনারেশনের এই ব্যপারটা আমাকে অবাক করে। সবসময় সবকিছু পজেটিভলি নেন আপনারা। অথচ আমরা গালি দিচ্ছি যে ব্যাটারা পুরো ফ্যামিলির খরচ কেন দিচ্ছে না হি হি।" আমি বললাম, "আরে তাই আবার দেয় নাকি?" "কিন্তু দেয়া উচিত ভাইয়া!" বলে প্রতিবাদ করলেন মিস ফারিহা। তারপর বললেন, "এই শুক্রবারের পরের শুক্রবারে যাচ্ছি আমরা। ট্রিপ সমন্বয়ের দায়িত্বে আমাকে ফাসিয়ে দিয়েছে বস" বলে একটা ন্যাকামো এক্সপ্রেশন দিলেন মিস ফারিহা। আজকালকার মেয়েদের মাঝে এমন ন্যাকামো অবশ্য বেশ কমন বিষয়। আমাদের যুগে যা কিছু উদ্ভট অস্বাভাবিক ধরা হত এই প্রজন্মে যেন সবই অতি স্বাভাবিক। নামের বিষয়েই ধরা যাক।** **আমাদের সময়ে নামগুলির সুন্দর অর্থ থাকত। অথচ এখন যেন শুনতে দুর্বোধ্য অর্থহীন নামই হালের ফ্যাশন।।ফারিহা আমড়িন নামটিও খুবই উদ্ভট একটি নাম। এই নামের আদৌ কোন অর্থ আছে কিনা জানা নেই আমার। চিন্তায় ছেদ পরলো মিস ফারিহার কথায়, "রোকসানা ভাবীর সাথে আবার বহুদিন পর দেখা হবে তাহলে।" আমি বললাম, "ও যাবে কিনা-- ছেলের সামনে পরীক্ষা। এসময়ে---" "কি যে বলছেন ভাইয়া। এমন সুযোগ আর পাবেন? অবশ্যই ভাবীকে নিয়ে আসবেন। আর ছেলেকেও। পরীক্ষার আগে ঘুরলে ব্রেন ফ্রেশ হবে।" অগত্যা বললাম, "বলে দেখব"। "না---ভাইয়া" বলে আবারো ন্যাকামো কন্ঠে বলে উঠলেন মিস ফারিহা। "আসলে কি জানেন ট্রিপের দায়িত্ব আমার ঘাড়ে পুরোটা। এর মাঝে সমুদ্র দেখে দুদিন আমরা পাহাড়ে থাকব। মানে তাবুতে। খাবার দাবার যদিও থাকবে কিন্তু এতজন মানুষ থাকব আমরা। বার্বিকিউ,** **গ্রিল না হলে চলে বলেন? কিন্তু এগুলো তো একা ম্যানেজ করতে পারব না ভাইয়া আমি। রান্না আমি পারিনা একদম। এসব ছোটখাট কাজে ভাবী গেলে অনেক হেল্প হবে ভাইয়া---"।** **"বুঝেছি" বললাম আমি। হেসে ধীরে ধীরে নিতম্বে ঢেউ তুলতে তুলতে ফিরে গেলেন মিস ফারিহা।**