নিঃশব্দ আর্তনাদ - অধ্যায় ৩৫
**ডাক্তারঃ বৌদি কষ্ট পাচ্চেন জানি। কিন্তু প্রকৃতির উপর তো আমাদের হাত নেই বুঝেছেন? ওনার যে বয়স তাতে ব্যথা কমাবার ওষুধ দিলে ব্যথা কমবে ঠিকই বুঝেচেন? কিন্তু ওনার ইন্টারনাল ফ্লুইড বয়সের কারণে দেরিতে আসে। টের না পেলেও পার্মানেন্ট ড্যামেজ হয়ে যেতে পারে। এসব বড় সেনসেটিভ জায়গা গো দাদা । ইনফেকশন হলে যমে মানুষে টানাটানি একেবারে। আবার তখন ছেলের কি হবে ভেবেচেন?**
**আমিঃ তাহলে স্যার—**
**ডাক্তারঃ আর কোন উপায় নেই। যেটুকু বড়জোর করা যেতে পারে সেটা হল ব্যপারটাকে বৌদির জন্যে আরামদায়ক করা। এর বেশি কিচ্চুটি নয়।**
**আমিঃ কিভাবে স্যার? কোন ওষুধ—**
**ডাক্তারঃ খুলেই বলচি। বোঝার চেষ্টা করুন হ্যা। সময়ে সময়ে ছেলের পেনিস ভীষণ ফুলে ওঠে ভূট্টার দানার মত ফুটকি বের হয়। ছেলের যন্ত্রনা লাঘবে আর কোন উপায় না পেয়ে বৌদি নিজে ইন্টারকোর্স করেন। ঠিক তো?**
**আমিঃ হ্যা স্যার। কিন্তু ওই অবস্থায় প্রচন্ড যন্ত্রনা লাগে ওর ভেতরে। এ ভয়ে ও অবস্থা আসার আগেই বার বার করতে হচ্ছে যাতে ছেলের পেনিস ওই সিচুয়েশন পর্যন্ত না পৌছায়—**
**ডাক্তারঃ এক্সাক্টলি। কিন্ত তবুও চাপ পরছে বৌদির উপর । কারণ একে তো মধ্যবয়েস তার। ফ্লুইড আসে দেরিতে। আবার ব্যাটা জোয়ান। ভুট্টার দানা বের না হলেও পেনিস আকারে বেশ বড় আর মোটা হয়েচে এ বিরল রোগের কারণে। সেই সাথে বীর্য আসছে দেরিতে। ইন্টারকোর্সে তাই খুবই ধকল যাচ্ছে বৌদির-**
**আমিঃ জি স্যার।**
**ডাক্তারঃ আবার সাইকোলজিকাল ব্যাপারটাও দেখতে হবে বৈকি বলুন! এ তো আর জামাই বউ নয় যে দুজোনে উদোম সেক্স করবে। এ হচ্ছে মা জননী আর সন্তান। ছেলের ইচ্চে হতেই পারে । তার জোয়ান বয়স। অথবা ধরুন ব্যথা হবার ভয়ে সে তো করতে চাইবেই। কিন্তু বিবেক বলে তো কিছু আছে নাকি? আবার মা জননীর তো আর সে ইচ্চে হবে না। সে বয়স তিনি পার করে এসেচেন। তাতে আবার নিজ সন্তান। লজ্জা, সমাজ কত কি! মন সায় না দেয়াই স্বাভাবিক। মনের উপর তো জোর নেই দাদা। তাই ছেলের ইয়েতেও মানে ধাক্কাতে আরকি তেমন জোর থাকবার কথা না। বৌদির গ্রহণেও তেমন স্বতস্ফূর্ত হবার কথা নয়। এমন টানাপোড়েনে দেখা যায় ২০ মিনিটের সেক্সে লেগে যায় ১ ঘন্টা । সেখানে তো এই কন্ডিশনে এমনিতেই ছেলের লাগার কথা চল্লিশ পঞ্চাশ মিনিট। সবটাতেই সমস্যা বুঝেচেন?**
**আমিঃ হ্যা স্যার। কিন্তু আপনাকে একটা উপায় বের করে দিতেই হবে--**
**ডাক্তারঃ আহ! দাদা বললামই তো যে উপায় নেই। বড়জোর বৌদির জন্যে ব্যাপারটা কিছুটা আরামদায়ক করে দিতে পারি সর্বোচ্চ। চার ধরণের ওষুধ দেব ভাবচি। প্রথমটি আবিষ্কার হয়েচে মাত্র দু বচর আগে বুঝেছেন। সেটা আমি ফাউ আনিয়ে দিতে পারব। কানেকশন আচে আমার--**
**আমিঃ অনেক ধন্যবাদ স্যার।**
**ডাক্তারঃ ওটা যোণীকে টাইট করবে আরও—**
**আমিঃ স্যার—এমনও ওষুধ হয়? মানে স্যার—টাইট হলে কি লাভ? মানে আরও বেশি ব্যথা--**
**ডাক্তারঃ একদিক থেকে চিন্তা করলে হবে না দাদা। সবদিক ভাবতে হবে বুঝলেন তো। সক্কল দিক! আপনার ছেলের ওই পেনিস বৌদির ভেতরে গেলেই যন্ত্রনা বুঝলেন । ওটাকে বেশিক্ষণ ভেতরে রাখতে দেয়া যাবেনা। এই হচ্ছে স্ট্র্যাটেজি। বুঝলেন কিনা? ওই ওষুধ যোণী টাইট করবে। যাতে চাপে দ্রুত ছেলের বীর্য বেরোয়। যত দ্রুত পতন তত দ্রুত মুক্তি। সোজা হিসেব! এখন কথা হল বৌদির ব্যথার কি হবে? ভেতরে টাইট হলে ব্যথা বেড়ে যাবে এতে কোন সন্দেহ নেই। তাই দ্বিতীয় ওষুধটি দেব। এটা দিলে বৌদির ওখানে ফ্লুইড বাড়বে। ফ্লুইড বেশি হলে ব্যথা কম পাবে। তৃতীয় ক্যাপসুল যেটা দিচ্ছি ওটা সাইকোলজিকাল বাঁধা থেকে মুক্তির জন্যে। ওটা সেক্সের ডেজায়ারকে তীব্র করে দেয়। দ্রুত যাতে সেক্স হয়ে যায় আর মুক্তি পায়। চতুর্থ লিকুইডটি বৌদি খাবেন সেক্সে বেশি আনন্দ পাবার জন্যে। যাতে তার ভেতরে অনুতাপবোধ না আসে। বুঝেচেন?**
**আমিঃ হ্যা স্যার।**
**স্ত্রী ততক্ষণে শাড়ি পরে মাথায় কাপর দিয়ে বেরিয়ে এসেছেন । মুখে লজ্জা ।**