মায়ের সাথে মাছ ধরা। - অধ্যায় ২৫
আমি- মায়ের কাছে গিয়ে এই নাও আমার গলা ধর
মা- আমার গলা ধরে নারে অনেক পর্যন্ত পা গেথে গেছে তুই শাড়ি তুলে পা ধরে তুলে দে না হলে উঠতে পারব না। থাই পর্যন্ত ডেবে গেছে বাবা তাড়াতাড়ি কর। এত পাক বুঝতে পারিনাই মাছ দেখে সব ভুলে গেছিলাম
আমি- মা তুমি নরাচরা করনা আমি ধরে তুলছি। বলে নিচু হয়ে মায়ের পায়ে হাত দিলাম দেখি সত্যি সত্যি মা অনেক ঢুকে গেছে পাকের মধ্যে। বাবার দিকে তাকিয়ে দেখি বাবা মাছ বাঁচছে এদিকে তাকাচ্ছেনা। আমি আস্তে আস্তে মায়ের শাড়ি তুললাম আর বললাম শাড়ি সহ ঢুকে গেছ তুমি।
মা- হ্যারে পুরানো শাড়ি দেখিস ছিরে না যায়। আস্তে আস্তে তোল। পায়ের কাছে মাছ আছে গুতো মারছে বার বার। দেখিস আবার লাফ না মারে।
আমি- তুমি চুপ করে থাক আমি চেষ্টা করছি। বলে মায়ের শাড়ি তুললাম থাইয়ের উপর পর্যন্ত। মা শাড়ি ছাড়িয়েছি ধরে রাখ।
মা- এই পা আস্তে আস্তে আটকে যাচ্ছে একটা পা তুলে দে তারপর উঠতে পারব।
আমি- আচ্ছা বলে মায়ের পা ধরলাম কাঁদা তবুও মায়ের পা ধরতে কি আরাম লাগছে হাত বুলিয়ে নিলাম মায়ের থাইতে।
মা- কি করছিস টান দে ডেবে যাচ্ছি যে।
আমি- দাড়াও কাঁদা একটু সরিয়ে নেই না হলে আটকে আছে বলে কাঁদা টেনে সরালাম।
মা- দ্যাখ আমি কাদায় আটকে আছি সেদিকে তোর বাবার কোন খেয়াল নেই, লোকটা যে কেমন বুঝলাম না।
আমি- তবুও তোমাকে অনেক ভালবাসে কথা রেখেছে আজকে বের হয়নি সাথেই এসেছে বলে কাঁদা কেটে কেটে সরাচ্ছি।
মা- এসেছে কি এমনি, সে তুইও জানিস বলে মুচকি হাসি দিল। আবার বলল কি করছিস পা তুলে দে এবার। এর পর কোমর পর্যন্ত ডুবে যাবো আমি, ঢুকেই যাচ্ছি।
আমি- তুমি কি করে ঢুকবে আমি আছি না উল্টো আমি ঢুকিয়ে বের করে নেব সময় মতন।
মা- হ্যা তুমি তো চাও ঢোকাতে না হলে আমাকে এতক্ষণে তুলতে।
আমি- মা কি যে বল তুমি ঢুকবে কেন ঢুকবো আমি, এবং বের করে আনবো।
মা- ঢুকতে বের হতে হতে গর্ত বড় হয়ে যাবে তো তখন আর সমস্যা হবেনা।
আমি- না না কত আর বড় হবে একটা মানুষ বের হলেও আবার ছোট হয়ে যায় তো।
মা- হ্যা পাক তো আস্তে আস্তে বন্ধ হয়ে যায়। হল তোর আর কতখন দাঁড়াবো এভাবে ভালো লাগছে না।
আমি- মা চেষ্টা করছি একটু ফাঁকা করে নেই তারপর আমি ঢুকাবো।
বাবা- কি হল তোমাদের আস।
মা- এক কাজ কর তুমি হাড়ি নিয়ে বাড়ি যাও আমরা আসছি, পা পাকে আটকে গেছে বিজয় তুলে দিক আমরা আসছি। তুমি দেরী করনা গিয়ে স্নান করে নাও আমরা আসলে তুমি আড়তে যাবে।
বাবা- আচ্ছা দ্যাখ এদিকে কিন্তু কেউ নেই। আবার আটকে থেকো না যেন আমি তবে যাই।
মা- হ্যা গিয়ে ভালো জল দিয়ে মাছ গুল বেছে নিও আমরা আসছি তুমি পৌছাতে আমরাও চলে আসব। বিজয় পা তুলে দিচ্ছে আমরা খাল থেকে ধুয়ে চলে আসবো যাও সোনা।
বাবা- তবে আসছি আমি কি বল, নাকি আমি আসবো কি বলছ।
মা- না না তোমার আর কাদায় নামতে হবে দুজনে সমস্যা হয়ে যাবে বিজয় একা ভালো পারবে, ও এখন বড় হয়েছে। ও ভালো পারবে প্রায় হয়ে গেছে পা ছারিয়ে গেছে। তুমি যাও মাছ মরে যাবে না হলে।
বাবা- আমি দাড়াই তোমরা ওঠ।
আমি- বাবা তোমার আমার উপরে ভরসা নেই।
বাবা- তা আছে বাবা তুই পারবি তোর মাকে তুলতে।
মা- তুমি যাও তো কথা বললে দেরী হয়ে যাবে ও পারবে আমাকে ঢুকিয়ে বের করে নিতে। ওর সে ক্ষমতা আছে। কি বাবা পারবি তো আমাকে ঢুকিয়ে বের করতে। কালকে রাতে ওইভাবে কোলে করে রাস্তায় তুলেছে আজকে পারবেনা। রাস্তা অনেক খাড়াই ছিল তখন যখন পেরেছে এখনো পারবে। পায়ের কাছে একটা মাছ আছে ওটাকে ধরে তারপর উঠব। মাছটা বেশ বড় বুঝলে তুমি যাও আমরা ধরতে পারলে নিয়ে আসবো।