মায়ের সাথে মাছ ধরা। - অধ্যায় ৪৩
আমি- আর কি বলব
দিদি- আর কোন কথা নেই।
আমি- আছে এর থেকেও আর ভালো গল্প আছে।
দিদি – কি গল্প।
আমি- পাঠাবো।
দিদি- না লাগবেনা মাথা খারপ হয়ে গেছে তোর।
আমি- ঠিক আছে তবে আর পাঠাবো না।
দিদি- কি গল্প বল না শুনি।
আমি- পরেরটা মা-ছেলের গল্প।
দিদি- কি বলিস
আমি- আমি পাঠাবো, এটা বাংলায় লেখা।
দিদি- না দরকার নেই।
আমি- সাথে সাথে ফোন কেটে দিলাম। ও একটা গল্প পাঠালাম।
দিদি- আবার ব্যাক করল আর বলল কিরে লাইন কেটে গেল নাকি।
আমি- হ্যা তুই কেটে দিলি তো।
দিদি- নানা আমি কাটি নাই। এমনি কেটে গেছে মনে হয়।
আমি- আরেকটা পাঠিয়েছি পড়ে আমাকে জানাস আমি বাড়ি ঢুকছি পড়ে ফোন করব।
বাড়ি ঢুকলাম দেখি বাবা আসে নাই।
মা- আমাকে দেখে কিরে গেছিলি তোর দিদির কাছে, কেমন আছে আমার দাদু ভাই।
আমি- ভালো, তোমার মেয়ে নাতি খুব ভালো আছে, তোমার জামাইর আসতে আজ দেরী হবে, বাবা বাড়ি এসেছে।
মা- না আমি জানতাম ও আসবেনা, তোকে বললাম শুনলি না। আজো গিলছে বসে বসে। মাতালের হাতে টাকা দিলে সে ঠিক থাকতে পারে।
আমি- আজ আসুক তুমি কিছু বল্বেনা, যা বলার আমি বলব।
মা- কাল তো তুই কিছুই বললিনা আজ পারবি তো বলতে।
আমি- দেখ বাবা আসুক।
মা- সন্ধ্যে হয়ে গেছে তুই বস আমি সন্ধ্যে দিয়ে আসি।
আমি- আচ্ছা আমি বাইরে দাড়াই তুমি সন্ধ্যে দাও, গরু বাছুর ঘরে তোলো।
মা- আচ্ছা দূরে যাস না একা একা আমার ভালো লাগেনা যে কদিন বাড়ি আছিস আমার কাছে থাকিস।
আমি- না যাবনা তোমার কাছেই থাকবো এর মধ্যে বাবা যদি না আসে তবে ঢুকিয়ে বসব।
মা- যা দুষ্টু ভর সন্ধ্যে বেলায় কেউ এমন কথা বলে, আমি যাই জল নিয়ে এসে সন্ধ্যে দেই।
আমি- আচ্ছা আমি রাস্তায় আছি মানে ওই পুকুর পারে একটু যাই।
মা- আচ্ছা বলে জল নিয়ে গেল কাপড় পালটে সন্ধ্যে দেবে।
আমি বেড়িয়ে এলাম বাইরে এবং দিদিকে ফোন করলাম হ্যালো দিদি জামাইবাবু এসেছে।
দিদি- না বললাম না রাত হবে বলেছে।
আমি- কি করছিস তুই এখন।
দিদি- সন্ধ্যে দিলাম ঘরে এসেছি মশার ধুপ জ্বালালাম।
আমি- বাবা সোনা কি করে।
দিদি- কারটুন দেখে টিভিতে।
আমি- পড়েছিস ওই গল্পটা।
দিদি- হুম
আমি- কেমন লাগল।
দিদি- জানিনা আমি বলতে পারব না।
আমি- গল্প পড়তে পড়তে নিশ্চয়ই নিজের দুদু টিপেছিস আর নিচে আমার মতন আঙ্গুল দিয়েছিলি।
দিদি- যা শয়তান আজে বাজে কথা বলে। তুই না ভাই তোর মুখে কিছু আটকায় না তাই না।
আমি- দেখ আমি সত্যি কথা বলতে পছন্দ করি আর আমার মানুষ সম্বন্ধে ধারনা খুব পরিস্কার, তুই স্বীকার না করলেই আমি যা বলেছি তাই করেছিস বুকে হাত দিয়ে বল।
দিদি- কোন দরকার নেই, তুই অন্য কিছু বল, বাবা ফিরেছে বাড়ি।
আমি- না ওবেটার কপালে আজ দুঃখ আছে ভেবেছিলাম ভালো হবে কিন্তু না একদম পাল্টায়নি। মা আজ ছারবেনা।
দিদি- তুই আসার পর মায়ের অনেক পরিবর্তন দেখলাম, মা আগে বাবাকে কিছু বলত না, কিন্তু এখন চোখ রাঙ্গায়।
আমি- তারমানে বলছিস আমি মাকে শক্তি জুগিয়েছি তাইত।
দিদি- না তা না মানে মা আগে কিছু বলতে পারত না সব মুখ বুজে সহ্য করত কিন্তু এখন অন্যরকম হয়ে গেছে, মায়ের সাজু গুজু বেড়ে গেছে।
আমি- মাকে সব কিনে দিয়েছি রে মা আগে কিছু পড়ত নাকি, আমি ফিরে সব মাকে কিনে দিয়েছি।
দিদি- হ্যা মাকে এখন অনেক ভালো লাগে দেখতে।
আমি- কিরে আর গল্প পড়বি, নাকি শুনবি।
দিদি- না আর দরকার নেই, এগুলো শুনলে মানসিকতার পরিবর্তন হয়। কোন দরকার নেই।
আমি- তুই তো লাউড করে রেখে এখনো চরম কথা গুলো পরছিস আমি বুঝতে পারছি।