মা ও ছেলের গল্প - অধ্যায় ১৩
( পর্ব - 19 )p {
} আসিফ তার পকেট থেকে মোবাইল ফোনটা বের করে ক্যামেরার লেন্সটা অন করল। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা রাবেয়া বেগমের উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত রূপটি ক্যামেরার স্ক্রিনে আসতেই আসিফের মুখটা খুশিতে ভরে গেল।সে হাসিমুখে মাকে বলল, "মা, এই সুন্দর মুহূর্তটা তো সারাজীবন ফ্রেমবন্দি করে রাখার মতো! আমি তোমার একটা চমৎকার ছবি তুলব। এবার একদম মনের মতো সুন্দর করে একটা পোজ দাও তো।"ছবি তোলার কথা শুনে রাবেয়া বেগম আবার একটু লজ্জিত হলেন। তিনি শাড়ির আঁচলটা ঠিক করতে করতে বললেন, "আরে দূর! এই বয়সে আবার কীসের পোজ দেওয়া? আমি ওসব পারি না বাবা।"
p {
} আসিফ মায়ের কাছে গিয়ে তাঁর কাঁধের ওপর হাত রাখল। সে মিষ্টি করে হেসে বলল, "কোনো অজুহাত চলবে না মা। একটু হালকা হাসো, আর মুখটা সামান্য বাঁকা করে লেকের পাড়ের মতো করে তাকাও। ব্যস, একদম পারফেক্ট!"ছেলের কথামতো রাবেয়া বেগম তাঁর ভেজা ভেজা চোখে এক চিলতে মিষ্টি হাসি ফুটিয়ে তুললেন। শাড়ির পাড়টা আলতো করে ধরে তিনি খুব সুন্দর এবং আত্মবিশ্বাসী একটি পোজ দিলেন।আসিফ আর দেরি না করে ফোনের স্ক্রিনে ক্লিক করল—"ক্লিক!"
p {
} ক্যামেরার ফ্লাশলাইটের আলোয় ৪৫ বছর বয়সী এক চিরসবুজ মায়ের সতেজ রূপ এবং তাঁর ভেতরের সবটুকু আনন্দ এক ফ্রেমে বন্দি হয়ে গেল। আসিফ ছবিটা তুলে নিজেই মুগ্ধ হয়ে গেল এবং মায়ের পাশে গিয়ে স্ক্রিনটা দেখিয়ে বলল, "দেখেছ মা? তোমাকে ঠিক কতখানি রাজকীয় আর সুন্দর লাগছে!"
p {
} আসিফ ও রাবেয়ার এই পরম আনন্দের মুহূর্তটির পর কি হতে চলেছে ?