মায়ের পুটকির ফুটো চিকিৎসা করলো তার ডাক্তার ছেলে - অধ্যায় ২

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-74247-post-6254238.html#pid6254238

🕰️ Posted on Thu Jul 2 2026 by ✍️ emon295 (Profile)

🏷️ Tags:
📖 1212 words / 5 min read

( পাঠ - 2 ) এরপর মা ও ছেলে মিলে মাঝখানের ঘরে এসে রাতের খাবার পর্ব শেষ করলেন। প্রতিদিনের মতো রাতের সব কাজ গুছিয়ে নিয়ে তাঁরা পেছনের নিভৃত ঘরের বিছানায় এসে পাশাপাশি শুলেন। এতদিনের লুকানো কষ্ট, শরীরের তীব্র অবদমিত যন্ত্রণা আর একাকীত্বের কথা একমাত্র আপন মানুষকে জানাতে পেরে ছায়া দেবী আজ মনে মনে অনেকটা হালকা বোধ করছিলেন। দীর্ঘদিনের অনিদ্রা আর শরীরের ক্লান্তি কাটিয়ে, জোয়ান ছেলের দেওয়া ভরসাকে বুকে জড়িয়ে তিনি পরম মমতায় গভীর ঘুমে তলিয়ে গেলেন। ছালামও তার মায়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে একসময় ঘুমিয়ে পড়ল, তবে তার মনে মনে তখন মায়ের সেই শরীরের উষ্ণ স্পর্শ আর আগামী রাতের গোপন চিকিৎসার উত্তেজনা খেলা করছিল। পরদিন সকাল: রাতের অন্ধকার কেটে গিয়ে গ্রামে যখন ভোরের আলো ফুটল, তখন চারপাশের প্রকৃতি এক অপরূপ রূপ ধারণ করেছে। বাঁশঝাড়ের ফাঁক গলে ভোরের সোনালী রোদ্দুর এসে পড়েছে টিনের চালের ওপর। চারদিকের নিস্তব্ধতা ভেঙে গাছে গাছে কোকিল, শালিক আর চড়ুই পাখির কলকাকলি শুরু হয়ে গেছে। সকালের হালকা হিমেল হাওয়া আর উঠোনের শিউলি ফুলের মিষ্টি সুবাস মিলে গ্রামীণ পরিবেশটাকে এক অদ্ভুত স্নিগ্ধতায় ভরিয়ে তুলেছে। পাশের বিল থেকে ভেসে আসছে মাঝিদের দাঁড় টানার শব্দ। পাখির ডাকে ছালামের চোখ মেলল। সে আলতো করে পাশে শোয়া মায়ের দিকে তাকাল। প্রতিদিনের যন্ত্রণার ছাপ কাটিয়ে ছায়া দেবীর ফর্সা মুখটিতে আজ এক শান্ত ও নিশ্চিন্ত ঘুমের আভা লেগে আছে। তিনি স্বভাবতই শাড়ি পরেন না, কেবল একটি টাইট ব্লাউজ এবং সায়া পরেই নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছেন। শাড়ির আবরণ না থাকায় তাঁর শরীরের ভরাট ও সুডৌল গড়ন, উন্মুক্ত কোমর এবং ব্লাউজের ভেতরের গভীর অবয়ব ছালামের চোখের সামনে পুরোপুরি স্পষ্ট হয়ে ধরা দিল। মায়ের এই রূপ দেখে ছালামের বুকের ভেতর একটা তীব্র মোচড় দিয়ে উঠল, তার শরীরের রক্তে এক অন্যরকম উষ্ণতা ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ল। মাকে আর বিরক্ত না করে ছালাম খুব সাবধানে বিছানা থেকে নামল। আজ রাতেই মায়ের সেই গোপন ও বিশেষ চিকিৎসার কাজ শুরু করতে হবে, যার জন্য সে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। আর দেরি না করে ছালাম প্রয়োজনীয় সব সুগন্ধি তেল, বিশেষ মালিশের মলম এবং চিকিৎসার অন্যান্য গোপনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহের জন্য শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হলো। শহরের ব্যস্ততা ও গোপন প্রস্তুতি: গ্রামের মেঠো পথ পেরিয়ে লোকাল বাসে চড়ে ছালাম যখন শহরে পৌঁছাল, তখন চারদিকে রোদের তীব্রতা আর কোলাহল বেড়ে গেছে। গ্রামে নিয়মিত রোগী দেখার পাশাপাশি শহরেও তার একটি নিজস্ব চেম্বার আছে। সে সোজা চলে গেল শহরের সেই ব্যক্তিগত চেম্বারে। সেখানে এসি-র ঠাণ্ডা বাতাসে বসে সে অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে মায়ের জন্য একটি নিখুঁত প্রেসক্রিপশন লিখল। সাধারণ কোনো রোগের জন্য নয়, বরং মায়ের দীর্ঘদিনের সেই কষ্টদায়ক শারীরিক সমস্যা দূর করার জন্য সে এই ব্যবস্থা সাজাল। চেম্বার থেকে বের হয়ে ছালাম একটি বড় ফার্মেসিতে গেল। সেখান থেকে সে মায়ের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষ লুব্রিকেন্ট এবং সংকুচিত পথটি স্বাভাবিক করার জন্য একটি মেডিকেল প্লাগ কিনে নিল। (পাঠকদের জন্য সহজ ভাষায় বিষয়টি একটু পরিষ্কার করা যাক: 'মেডিকেল প্লাগ' হলো এক ধরণের বিশেষ থেরাপিউটিক সরঞ্জাম, যা মূলত অবরুদ্ধ বা সংকুচিত পথকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ও শিথিল করার জন্য ব্যবহার করা হয়। আর 'লুব্রিকেন্ট' হলো একটি অত্যন্ত পিচ্ছিল জেল বা তরল পদার্থ। শরীরের সংকুচিত বা শুষ্ক অংশে কোনো শক্ত বস্তু প্রবেশ করানোর সময় ঘর্ষণ ও তীব্র ব্যথা এড়াতে এটি ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। লুব্রিকেন্ট ব্যবহারের ফলে চামড়া মসৃণ ও পিচ্ছিল হয়ে যায়, যার ফলে কোনো রকম ক্ষত বা টিস্যু ফেটে যাওয়ার ঝুঁকি ছাড়াই এটি খুব সহজে ভেতরে যাতায়াত করতে পারে।) ছালামের কেনা মেডিকেল গ্রেড সিলিকনের তৈরি এই প্লাগটি ছিল চমৎকার গোলাপি রঙের, যা দেখতে যেমন মসৃণ, তেমনি নিখুঁত। এটি লম্বায় ছিল প্রায় চার ইঞ্চি। এর গঠন ছিল বেশ বৈচিত্র্যময়—এর আগার দিকটা ছিল কিছুটা সুচালো ও সরু, যাতে লুব্রিকেন্টের ছোঁয়ায় খুব সহজে এবং কম কষ্টে শরীরের স্পর্শকাতর অংশে প্রবেশ করানো যায়। কিন্তু মাঝখানের অংশটি ছিল বেশ পুরু এবং প্রায় দেড় ইঞ্চি মোটা, যা সংকুচিত পথটিকে পুরোপুরি প্রসারিত করে আরাম দিতে সক্ষম। আর এর গোড়ার দিকটি ছিল চওড়া ও ফ্লাট বা চ্যাপ্টা আকৃতির, যাতে ব্যবহারের সময় এটি কোনোভাবেই ভেতরে পুরোপুরি হারিয়ে না যায় এবং প্রয়োজনমতো সহজে বাইরে টেনে আনা যায়। এরপর সে গেল একটি বিশেষ কাপড়ের দোকানে। মায়ের চিকিৎসার সময় যেন বারবার পোশাক সরাতে না হয় এবং রাতের নিভৃত অন্ধকারে চিকিৎসার জায়গাটি যেন সহজে উন্মুক্ত থাকে, সেজন্য সে মায়ের মাপে একটি বিশেষ ধরনের প্যান্ট কিনে নিল—যেটির পেছনের অংশটি আগে থেকেই কাটা ও নিখুঁতভাবে বের করা থাকে। (পাঠকদের সহজে বোঝানোর জন্য এই প্যান্টের বিষয়টি একটু খোলাসা করা যাক: সাধারণ অন্তর্বাস যেমন চারদিক থেকে ঢাকা থাকে, এটি তেমন নয়। এই বিশেষ প্যান্টের নকশা এমনভাবে করা হয়েছে যে, এর সামনের দিকটা সম্পূর্ণ ঢাকা থাকলেও পেছনের অংশটি গোল আকৃতিতে নিখুঁতভাবে কাটা এবং উন্মুক্ত থাকে। এর ফলে প্যান্টটি পরে থাকা অবস্থাতেই পেছনের অংশে যেকোনো ধরণের মালিশ, লুব্রিকেন্ট প্রয়োগ বা থেরাপিউটিক প্লাগ ব্যবহারের কাজ খুব সহজে করা যায়, বারবার পুরো পোশাক খোলার কোনো প্রয়োজন পড়ে না।) দোকান থেকে বের হয়েই ছালাম সমস্ত জিনিসপত্র একটি বড় কালো রঙের শক্ত প্যাকেটের ভেতর ভরে ভালো করে মুখ আটকে দিল। গ্রামের মানুষ বড্ড কৌতূহলী হয়, প্যাকেটে এসব জিনিস দেখলে নানা রকম আজেবাজে কথা ছড়াবে। তাই কেউ যেন কোনোভাবেই বুঝতে না পারে প্যাকেটের ভেতরে আসলে কী আছে, সেই সুরক্ষাই সে নিল। গ্রামে ফেরা ও প্রতিবেশীর মুখোমুখি: বিকেলের দিকে সূর্য যখন পশ্চিমে হেলে পড়েছে, তখন ছালাম শহর থেকে আবার তাদের শান্ত গ্রামে ফিরে এলো। বাঁশঝাড় আর মাটির সুবাস মাখানো চেনা পথ ধরে সে বাড়ির দিকে হাঁটছিল। ঠিক তখনই গ্রামের মোড়ের বটগাছটার সামনে তার দেখা হয়ে গেল গ্রামের এক অতি-কৌতূহলী প্রতিবেশী কাকা মোতাহার মিয়ার সাথে। মোতাহার মিয়া ছালামের হাতের বড় কালো প্যাকেটটার দিকে চোখ ছোট ছোট করে তাকিয়ে উৎসুক কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল, “কী রে ছালাম ডাক্তার! শহর থেকে এক গাদা জিনিসপত্র নিয়া ফিরলি দেহি? তা ব্যাগে কইরা তোর মায়ের জন্য কী নিয়া যাইতেছস শুনি?” ছালাম কিছুটা অপ্রস্তুত বোধ করলেও মুখে তা প্রকাশ করল না। কিন্তু মোতাহার মিয়া একটা বাঁকা হাসি দিল। নিজের পানের পিকটা পাশে ফেলে ছালামের একদম কাছে এগিয়ে এসে এক নোংরা ও কুৎসিত ইঙ্গিতে চোখ টিপে ফিসফিস করে বলল, “তা মায়ের শরীর সারাইতে তো দিন-রাত এক করতাছস। বাপে মরা যুবতী মা ঘরে থাকলে জোয়ান পোলাদের একটু বেশিই খাতির করতে হয়, কী কস? চিকিৎসার নামে রাইতের বেলা ঘরে আবার অন্য কোনো মলম মালিশ চলব নাকি রে ছালাম? একা ঘরে মা-পুতে তো ভালোই থাকো দেহি!” মোতাহার মিয়ার এই নোংরা রসিকতা আর দ্বিঅর্থবোধক কুৎসিত ইঙ্গিত শুনে ছালামের বুকের ভেতরটা রাগে, ক্ষোভে আর এক অদ্ভুত গোপন উত্তেজনায় ধক করে উঠল। তার কপালে হালকা ঘাম জমে গেল, তবে গ্রামের এই লোকগুলোর নোংরা নজর থেকে মায়ের গোপনীয়তা রক্ষা করা এবং নিজেকে শান্ত রাখা কতটা জরুরি, তা সে ভালো করেই জানত। সে তার ভেতরের তীব্র উত্তেজনাকে আড়াল করে মুখে একটি হালকা কৃত্রিম হাসি ফুটিয়ে বানিয়ে বানিয়ে মিথ্যা কথা বলল— ছালাম: “আরে না মোতাহার কাকা, আপনি যেভাবে ভাবছেন তেমন কিছু না। মার শরীরটা কয়েকদিন ধরে একটু দুর্বল তো, তাই শহর থেকে কিছু দরকারি পুষ্টিকর হরলিক্স, ভিটামিন ওষুধ আর ফলমূল নিয়ে যাচ্ছি। ওষুধগুলো একটু দামি তো, তাই ভালো প্যাকেটে করে আনলাম।” ছালামের মুখে হরলিক্স আর ভিটামিনের কথা শুনে মোতাহার মিয়া আর বেশি ঘাঁটাল না। তবে তার চোখে তখনও একটা বাঁকা চাউনি লেগে ছিল। সে মাথা নেড়ে বলল, “আচ্ছা আচ্ছা, ভালো করছস। মা’র যত্ন নে, জোয়ান ডাক্তার পোলা থাকতে মায়ের কষ্ট তো আর রাখা যায় না!” মোতাহার মিয়া বিদায় নিলে ছালাম একটা দীর্ঘ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল। তার হাতের কালো প্যাকেটের ভেতরে থাকা গোলাপি প্লাগ, লুব্রিকেন্ট আর সেই বিশেষ কাটা প্যান্টটির কথা মনে পড়তেই তার সারা শরীরে আবার এক অন্যরকম উষ্ণ রক্তস্রোত বয়ে গেল। সে আর কোথাও না দাঁড়িয়ে দ্রুত পায়ে গ্রামের স্নিগ্ধ পরিবেশ আর গাছপালার ছায়া ঘেরা পথ পার হয়ে নিজের চেনা বাড়ির দিকে এগিয়ে চলল। আজ রাতেই নিভৃত ঘরের অন্ধকারে, মায়ের সেই গোপন ও যন্ত্রণাদায়ক কষ্টের স্থায়ী সমাধান তাকে করতেই হবে—যেখানে থাকবে না কোনো বাইরের লোকের নজর, শুধু থাকবে মা আর তার জোয়ান ছেলের গোপন চিকিৎসার গভীরতম মুহূর্ত। তারপর কি হলো জানত হলে লাইক ও রেপুটেশন দিয়ে দিন।